আন্তর্জাতিক ও বড় পরিসরের বাণিজ্যে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বাসযোগ্য ও নিরাপদ উপায়ে লেনদেন সম্পন্ন করা। এক দেশের বিক্রেতা আর অন্য দেশের ক্রেতার মধ্যে সরাসরি বিশ্বাসের ঘাটতি থাকাই স্বাভাবিক। এলসি খোলার মাধ্যমে এই বিশ্বাসের ঘাটতি দূর করা যায়।
বাংলাদেশের মতো আমদানি-নির্ভর ও রপ্তানিমুখী অর্থনীতিতে এলসি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কাঁচামাল আমদানি, মেশিনারি ক্রয়, গার্মেন্টস ও অন্যান্য রপ্তানিমুখী শিল্পে এলসি ছাড়া বাণিজ্য প্রায় অসম্ভব। তাই ব্যবসায় সফল হতে হলে এলসির খোলার উপায়, এলসির প্রকারভেদ ও কার্যপ্রণালি সম্পর্কে পরিষ্কার জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি।
এলসি (LC) কী?
এলসি (Letter of Credit) হলো ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া একটি লিখিত আর্থিক নিশ্চয়তা, যার মাধ্যমে আমদানিকারক (Buyer) ও রপ্তানিকারক (Seller)-এর মধ্যকার লেনদেন নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত করা হয়। সহজ ভাষায় বলা যায়, ব্যাংক এখানে গ্যারান্টার হিসেবে কাজ করে।
এলসি খোলার মাধ্যমে আমদানিকারকের ব্যাংক রপ্তানিকারককে নিশ্চয়তা দেয় যে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা হবে।
ফলে বিক্রেতা নিশ্চিত থাকে যে পণ্য পাঠানোর পর টাকা পাওয়া যাবে এবং ক্রেতাও নিশ্চিন্ত থাকে যে শর্ত পূরণ ছাড়া অর্থ পরিশোধ হবে না।
এলসি কেন প্রয়োজন?
বেশ কিছু কারণে এলসির প্রয়োজন আছে, যেমন:
- আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাণিজ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি দূর করতে,
- বড় অংকের লেনদেন নিরাপদ করতে,
- আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক উভয় পক্ষের ঝুঁকি কমাতে,
- ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে স্বচ্ছ লেনদেন নিশ্চিত করতে,
এলসি’র প্রধান পক্ষসমূহ
একটি এলসি খোলার সাথে বেশ কয়েকটি পক্ষ জড়িত থাকে। এসব পক্ষের মধ্যে রয়েছে:
১. Applicant – আমদানিকারক
২. Beneficiary – রপ্তানিকারক
৩. Issuing Bank – আমদানিকারকের ব্যাংক
৪. Advising Bank – রপ্তানিকারকের দেশের ব্যাংক
৫. Negotiating Bank – ডকুমেন্ট যাচাই ও অর্থ পরিশোধকারী ব্যাংক।
এলসি কত প্রকার?
এলসি সাধারণত ৫টি ভিন্ন ভিত্তিতে ভাগ করা হয়। নিচে এই বিষয়ে আলোচনা করা হলো:
১. দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে এলসি
ক) Revocable LC
এই ধরণের এলসির শর্ত হচ্ছে ব্যাংক যেকোনো সময় এটি পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে। বর্তমানে এই ধরণের এলসির ব্যবহার খুব কম।
খ) Irrevocable LC
এই ধরণের এলসি খোলা হলে সব পক্ষের সম্মতি ছাড়া বাতিল করা যায় না বা পরিবর্তন করা যায় না।এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সবচেয়ে নিরাপদ উপায় তাই এই এলসি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
২. পেমেন্ট সময়ের ভিত্তিতে এলসি
ক) Sight LC
দ্রুত এলসি পেমেন্ট এর জন্য সাইট এলসি ব্যবহার করা হয়। সাইট এলসির শর্ত অনুযায়ী সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক বেনেফিশিয়ারি ব্যাংককে পেমেন্ট দিয়ে দেয়।
খ) Usance / Deferred LC
এই এলসির বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
৩. নিশ্চয়তার ভিত্তিতে এলসি
ক) Confirmed LC
এই ধরণের এলসিতে ইস্যুকারী ব্যাংক ছাড়াও আরেকটি ব্যাংক নিশ্চয়তা দেয় যা রপ্তানিকারকের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার বিধান করে।
খ) Unconfirmed LC
এই ধরণের এলসির ক্ষেত্রে শুধু ইস্যুকৃত ব্যাংক এর নিশ্চয়তা থাকে।
৪. ব্যবহার পদ্ধতির ভিত্তিতে এলসি
ক) Back-to-Back LC
ব্যাক টু ব্যাক এলসি সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
খ) Transferable LC
এই ধরণের এলসির ক্ষেত্রে এলসি অন্য সরবরাহকারীকে ট্রান্সফার করা যায়। তবে সব এলসি ট্রান্সফারযোগ্য নয়।
গ) Revolving LC
Revolving মানে হচ্ছে বা বার ব্যবহার করা যায়। তাই বলা যায় নির্দিষ্ট সময় বা পরিমাণ অনুযায়ী বারবার ব্যবহারযোগ্য এলসিকে Revolving LC বলে।
৫. বিশেষ ধরনের এলসি
ক) Red Clause LC
এটি হচ্ছে একটি বিশেষ ধরণের এলসি যেখানে বিক্রেতা তাদের পণ্য জাহাজীকরণের আগেই পেমেন্ট পেয়ে যায়। এটাকে জামানতবিহীন ঋণও বলা যায়।
এই ঋণের অর্থ উৎপাদন বা কাচামাল কেনায় ব্যবহৃত হয়। পরবর্তীতে ফাইনাল পেমেন্টের আগে টাকা এডজাস্ট করা হয়।
এই ধরণের এলসির আগাম অর্থ উত্তোলনের সুবিধা থাকে
খ) Green Clause LC
Green Clause LC ক্ষেত্রেও অগ্রিম পেমেন্ট দেওয়া হয় ( প্রায় ৭০-৮০%)। Red Clause-এর পাশাপাশি জামানতযুক্ত Green Clause LC তে গুদামজাত পণ্যের সুবিধাও পাওয়া যায়।
গ) Standby LC
এই ধরণের এলসি ব্যাংক গ্যারান্টির মতো কাজ করে। শর্ত ভঙ্গ হলে এলসি কার্যকর হয়।
আরও পড়ুন: চীন থেকে আমদানি করার স্টেপ বাই স্টেপ বিস্তারিত গাইডলাইন।
ব্যাক টু ব্যাক এলসি (Back-to-Back LC) কি? ব্যাক টু ব্যাক এলসি কেন এবং কিভাবে খোলা হয়?
ব্যাক টু ব্যাক এলসি (Back-to-Back Letter of Credit) হলো এমন একটি এলসি ব্যবস্থা যেখানে একটি রপ্তানি এলসির (Master LC) বিপরীতে আরেকটি আমদানি এলসি খোলা হয়।
সহজভাবে বলা যায়, একটি এলসিকে ভিত্তি করে যখন তার বিপরীতে আরেকটি এলসি খোলা হয় তখন তাকে ব্যাক টু ব্যাক এলসি বলে। সাধারণত গার্মেন্টস, এক্সপোর্ট ও ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে ব্যাক টু ব্যাক এলসি বেশি ব্যবহৃত হয়।
ব্যাক টু ব্যাক এলসি কেন প্রয়োজন?
এক্সপোর্ট এর ক্ষেত্রে ব্যাক টু ব্যাক এলসির প্রয়োজন হয়।ধরা যাক আপনি বিদেশি ক্রেতার কাছ থেকে একটি রপ্তানি এলসি (Export LC) পেয়েছেন। এখন এক্সপোর্ট করার জন্য আপনাকে পণ্য উৎপাদন করতে হবে।
সেই পণ্য তৈরি করতে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। নিজের মূলধন না থাকলেও এক্ষেত্রে ব্যাংক আপনার রপ্তানি এলসির ভিত্তিতে আপনাকে ব্যাক টু ব্যাক আমদানি এলসি খুলে কাঁচামাল আনার সুযোগ করে দিবে।
ব্যাক টু ব্যাক এলসির পক্ষসমূহ
Exporter / Beneficiary – রপ্তানিকারক (যিনি ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলছেন)
Importer (Supplier) – কাঁচামাল সরবরাহকারী
Master LC Issuing Bank – বিদেশি ক্রেতার ব্যাংক
Local Bank– ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার ব্যাংক
ব্যাক টু ব্যাক এলসি কীভাবে কাজ করে?
প্রথমে রপ্তানিকারক বিদেশি ক্রেতার কাছ থেকে Export LC (Master LC) পায়। রপ্তানিকারক সেই এলসি স্থানীয় ব্যাংকে জমা দেয়। ব্যাংক এলসি যাচাই করে Master LC-এর বিপরীতে Back-to-Back Import LC খুলে দেয়।
এই এলসির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানি হয়। এসব দিয়ে পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি করা হয়। রপ্তানি বিল থেকে ব্যাংক ব্যাক টু ব্যাক এলসির টাকা সমন্বয় করে নেয়।
ব্যাক টু ব্যাক এলসির ধরণ
১) Local Back-to-Back LC : দেশীয় কাঁচামাল সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২) Foreign Back-to-Back LC : বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানির জন্য ব্যবহৃত হয়।
ব্যাক টু ব্যাক এলসি ব্যবহৃত হয় যেসব সেক্টরে:
- গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল
- লেদার শিল্প
- ফুড প্রসেসিং শিল্প
- হ্যান্ডিক্রাফটস
- রপ্তানিমুখী শিল্প
ব্যাক টু ব্যাক এলসি’র সুবিধা
ব্যাক টু ব্যাক এলসির বেশকিছু সুবিধা রয়েছে, যেমন:
- ব্যাক টু ব্যাক এলসি’র মাধ্যমে নিজের মূলধন ছাড়াই
- কাঁচামাল আমদানি করা যায়,
- রপ্তানি ব্যবসা সহজ হয়,
- উৎপাদন চলমান রাখা যায়,
- ব্যাংকের আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায়,
ব্যাক টু ব্যাক এলসি ও সাধারণ এলসির পার্থক্য
| বিষয় | ব্যাক টু ব্যাক এলসি | সাধারণ এলসি |
| ভিত্তি | Export LC | নিজস্ব অর্থ |
| উদ্দেশ্য | কাঁচামাল আমদানি | পণ্য আমদানি |
| ঝুঁকি | তুলনামূলক বেশি | তুলনামূলক কম |
| ব্যবহার | রপ্তানি শিল্প | সব ব্যবসা |
আরও পড়ুন: ইবে (eBay) প্লাটফর্মে ব্যবসা শুরু করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন।
Usance / Deferred LC (ইউজেন্স / ডিফার্ড এলসি) কি? এটি কিভাবে ব্যবহার করবেন?
Usance LC (যাকে Deferred Payment LC ও বলা হয়) হলো এমন এক ধরনের এলসি যেখানে রপ্তানিকৃত পণ্য শিপমেন্ট ও ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও তাৎক্ষণিক পেমেন্ট প্রদান করা হয় না। একটি নির্দিষ্ট সময় পরে (যেমন ৬০, ৯০, ১২০ বা ১৮০ দিন) পেমেন্ট পরিশোধ করা হয়।
Usance LC কেন ব্যবহার করা হয়?
- আমদানিকারকের ক্যাশ ফ্লো ম্যানেজমেন্ট সহজ করার জন্য,
- পণ্য বিক্রি বা উৎপাদন করে আয় করার পর পেমেন্ট পরিশোধ করতে,
- বড় অংকের আমদানিতে তাৎক্ষণিক অর্থচাপ কমাতে।
Usance LC কীভাবে কাজ করে?
আমদানিকারক ব্যাংকে Usance LC খোলে। এলসি খোলার সময় পেমেন্ট টার্ম নির্ধারণ করা হয় ৬০, ৯০, ১২০ বা তার চেয়ে বেশি হয়।
রপ্তানিকারক পণ্য জাহাজীকরণ করে তার ডকুমেন্টস ব্যাংকে জমা দেয়। ডকুমেন্টস ঠিক থাকলে ব্যাংক Acceptance প্রদান করে এবং নির্ধারিত সময় শেষে ব্যাংক পেমেন্ট পরিশোধ করে।
Usance LC–এর সময় গণনা হয় যেভাবে:
Bill of Lading তারিখ হতে,
শিপমেন্ট তারিখ হতে,
Acceptance এর তারিখ হতে,
Usance LC–এর ধরণ
১) Deferred Payment LC : নির্দিষ্ট তারিখে পেমেন্ট প্রদান করা হয় এক্ষেত্রে বিল অফ এক্সচেঞ্জ নাও থাকতে পারে।
২) Acceptance LC: এই এলসির ক্ষেত্রে Bill of Exchange গ্রহণ (Acceptance) করতে হয় এবং মেয়াদ শেষে পেমেন্ট প্রদান করা হয়।
Usance LC কখন সবচেয়ে উপযোগী?
- কাঁচামাল আমদানিতে,
- গার্মেন্টস ও এক্সপোর্ট সেক্টরে,
- উৎপাদন ও বিক্রির সময় দরকার হলে,
- ব্যাক টু ব্যাক এলসির ক্ষেত্রে,
এলসি (LC) খোলার নিয়ম
এলসি খোলার নিয়ম জানার আগে আপনাকে জানতে হবে কোথায় এলসি খোলবেন। বাংলাদেশে এলসি (Letter of Credit) খোলা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের Foreign Exchange Guidelines অনুসরণ করে এবং অনুমোদিত AD (Authorized Dealer) ব্যাংক এর মাধ্যমে।
এলসি খোলার ধাপগুলো হচ্ছে:
ধাপ-১: আমদানিকারক হিসেবে ডকুমেন্টস সংগ্রহ
এলসি খোলার জন্য আপনার একটি বৈধ ব্যবসা থাকতে হবে। এজন্য ব্যবসার নামে ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নামে Import Registration Certificate (IRC) থাকতে হবে। লেনদেন করার জন্য যেকোনো কমার্শিয়াল ব্যাংকে ব্যাংকে কারেন্ট একাউন্ট খুলুন।
ধাপ-২: প্রোফর্মা ইনভয়েস (Proforma Invoice) সংগ্রহ
এলসি খোলার জন্য আপনার একটি প্রোফর্মা ইনভয়েজ লাগবে যেখানে পণ্যের নাম ও বিবরণ, পরিমাণ ও মূল্য, শিপমেন্ট সময়, পেমেন্ট টার্মস, Origin দেশ ইত্যাদি উল্লেখ থাকে।
ধাপ-৩: এলসি আবেদন (LC Application)
এলসি খোলার জন্য ব্যাংকের ব্যাংকের নির্ধারিত ফরমে
এলসির ধরন, এলসির পরিমাণ, Beneficiary তথ্য
পণ্যের বিবরণ ইত্যাদি তথ্য দিয়ে ব্যাংকে এলসি খোলার আবেদন করতে হয়।
ধাপ-৪: মার্জিন ও চার্জ জমা
এলসি খোলার জন্য ব্যাংকে যে পরিমাণ অর্থ জামানত হিসেবে জমা রাখতে হয় তাকে এলসি মার্জিন বলে। ব্যাংকে এলসি খুলতে হলে আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ এলসি মার্জিন জমা দিতে হবে। এলসি মার্জিন ব্যাংক নির্ধারণ করবে। আপনার বিজনেস রেকর্ড যত ভাল হবে এলসি মার্জিন তত কম হবে।
LC Margin ০%–১০০% পর্যন্ত হতে পারে। এটা ব্যাংকই নির্ধারণ করবে। এছাড়া ব্যাংক চার্জ ও কমিশন জমা দিতে হবে। কমিশন হিসেবে কোয়ার্টারলি ০.৩% থেকে ০.৪% টাকা হতে পারে ও অল্প কিছু ব্যাংক চার্জ আসবে।
ধাপ-৫: ডকুমেন্টস যাচাই ও অনুমোদন
ডকুমেন্টস ও এলসি মার্জিন জমা দেওয়ার পর ব্যাংক সবকিছু যাচাই করে এলসি ইস্যু করবে। ইস্যুকারী ব্যাংক এলসি খুললে Advising Bank এলসি সাপ্লায়ারকে জানায়। তারপর সাপ্লায়ার পণ্য পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
আরও পড়ুন:
- ব্যাংক লোন কত প্রকার ও কি কি? ব্যাংক লোন পাওয়ার উপায়।
- বিদেশে পণ্য রপ্তানি ব্যবসা শুরু করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন
এলসি খোলার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস (চেকলিস্ট)
বাধ্যতামূলক ডকুমেন্টস
- এলসি আবেদন ফরম
- প্রোফর্মা ইনভয়েস
- ইম্পোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (IRC)
- ট্রেড লাইসেন্স (হালনাগাদ)
- টিআইএন সার্টিফিকেট (TIN)
- ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন
- ব্যাংক একাউন্ট কাগজপত্র
ব্যবসার ধরণভেদে অতিরিক্ত ডকুমেন্টস
- মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস (কোম্পানির জন্য)
- সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন
- পার্টনারশিপ ডিড (যদি পার্টনারশিপ হয়)
- বোর্ড রেজুলেশন (কোম্পানির ক্ষেত্রে)
এলসি সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টস
- IMP Form
- LCA Form
- Insurance Cover Note
- HS Code Declaration
- Shipment Schedule
বিশেষ ক্ষেত্রে
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন (যদি প্রয়োজন হয়)
- বন্ড লাইসেন্স (বন্ডেড ওয়্যারহাউস হলে)
- ব্যাক টু ব্যাক এলসি এর ক্ষেত্রে এক্সপোর্ট এলসি কপি
উপসংহার
এলসি খোলা কঠিন কোন বিষয় নয় যদি আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস থাকে। তাই আপনি যদি এলসি খুলে দেশে আমদানি বাণিজ্য করতে চান তাহলে প্রথমেই প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ করুন। তারপর ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে সেসব ডকুমেন্টস ব্যাংকে জমা দিন এবং এলসি খুলুন।