বর্তমান সময়ে ব্যবসা শুরু করতে হলে আর দোকান, অফিস বা বড় পুঁজির প্রয়োজন নেই। প্রযুক্তির উন্নতি, ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা এবং স্মার্টফোনের ব্যবহার আমাদের সামনে খুলে দিয়েছে ঘরে বসে ব্যবসা করার সুযোগ।
এখন যে কেউ চাইলে নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা কিংবা সামান্য পুঁজি ব্যবহার করে ঘর থেকেই একটি লাভজনক ব্যবসা গড়ে তুলতে পারে। বিশেষ করে যারা চাকরির পাশাপাশি আয় করতে চান, গৃহিণী, শিক্ষার্থী বা নতুন উদ্যোক্তা।
যেহেতু বেশিরভাগ মহিলারা ঘরে থাকে তাই এই লেখাটি যেসব মহিলা ঘরে বসে ব্যবসা করার সুযোগ খুঁজেন তাদের জন্য বেশি প্রযোজ্য।
ঘরে বসে ব্যবসা করার ৭ টি আইডিয়া
ঘরে বসে ব্যবসা করার ৭ টি আইডিয়া নিচে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হলো:
১. ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসা
ফ্রিল্যান্সিং মানে হলো নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে অনলাইনে দেশ-বিদেশের ক্লায়েন্টের কাজ করে টাকা আয় করা।
এটি একটি স্বাধীন পেশা। অফিসের ৯-৫ টা চাকরি যাদের পছন্দ হয় না তারা এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। একবার এই সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান দিয়ে ফেলতে পারবেন।
কী কী সার্ভিস দেওয়া যায়?
- ডিজিটাল মার্কেটিং
- গ্রাফিক ডিজাইন
- SEO
- ভিডিও এডিটিং
- ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
- কনটেন্ট রাইটিং
- আর্থিক পরামর্শ ইত্যাদি
কিভাবে শুরু করবেন?
প্রথমে আপনাকে যেকোনো বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ হতে হবে। তারপর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলতে হবে। সেখানে আপনাকে প্রফেশনালভাবে প্রোফাইল তৈরি করে কাজের জন্য আবেদন করতে হবে।
আপনি অভিজ্ঞ হয়ে গেলে প্রচুর কাজ পাবেন। তখন একটি টিম তৈরি করে ফেলবেন। তাদের দিয়ে কাজ করিয়ে আপনি ভাল পরিমাণে আয় করতে পারবেন।
আনুমানিক খরচ
ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার একটি কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে। মোটামুটি ৩০-৪০ হাজার টাকা দিয়েই আপনি কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ পেয়ে যাবেন।
সম্ভাব্য আয়
শুরুতে: ১০–২০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। অভিজ্ঞ হলে: ১ লাখ প্লাস আয় করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কি ? ৫ টি সেরা মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে বিস্তারিত ।
২. অনলাইন কোচিং ও কোর্স ব্যবসা – ঘরে বসে ব্যবসার আইডিয়া
আপনি যদি কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে যান তাহলে আপনি অনলাইনে কোচিং ও কোর্স বিক্রির ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
ব্যবসা, অনলাইন আর্নিং, মার্কেটিং বা এডুকেশনাল কোন বিষয়ে আপনি কোচিং করাতে পারেন।
কিভাবে শুরু করবেন?
সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষ করে ফেসবুকে একটি পেজ বা গ্রুপ খুলে কোচিং করানো শুরু করতে পারেন।প্রথমদিকে আপনার নিজের একাউন্ট থেকে শিক্ষামূলক কন্টেন্ট তৈরি করে প্রচার করতে থাকুন।
একসময় দেখবেন আপনার অনুসারীর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তখন ব্যাচ খুলতে পারবেন এবং অনলাইনে কোচিং চালু করতে পারবেন।
এছাড়া রেকর্ডেড কোর্স তৈরি করতে পারেন। ভালভাবে কোর্স তৈরি করতে ভাল পরিমাণে বিক্রয় করতে পারবেন।
মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, জুম, মাইক্রোসফট টিমস এর মত প্লাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে আপনি খুব সহজেই টার্গেট ক্লায়েন্টের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।
আনুমানিক আয়: আয়ের পরিমাণ নির্ভর করবে আপনি কি পরিমাণ স্টুডেন্ট পাচ্ছেন তার উপর। যদি আপনি ৫০ জন স্টুডেন্ট পান, তাহলে জনপ্রতি ২,০০০ হলে মাসে ১ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।
৩. ব্লগিং বিজনেস
নিজের ওয়েবসাইটে নিয়মিত তথ্যভিত্তিক লেখা প্রকাশ করাই হচ্ছে ব্লগিং করা। বর্তমানে অনেকেই ব্লগিং বিজনেস করে ভাল পরিমাণে আয় করছে।
ব্লগিং বিজনেস করে আয় করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। যেমন:
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
- বিজ্ঞাপন প্রদান
- স্পন্সর্ড পোস্ট
- নিজস্ব পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি ইত্যাদি।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অন্য কোন বিক্রেতার পণ্য বা সার্ভিস বিক্রয়ের উদ্দেশ্য সেই পণ্য বা সার্ভিসের লিংক শেয়ার করা। যদি কোন ক্রেতা সেই লিংক ব্যবহার করে কোন কিছু ক্রয় করে তাহলে তার বিনিময়ে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কমিশন পাবেন।
আপনার ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে গেলে সেখানে বিভিন্ন কোম্পানি বিজ্ঞাপন দিবে। বিজ্ঞাপনের বিনিময়ে আপনি বিজ্ঞাপনদাতার কাছ থেকে ভাল পরিমাণ অর্থ পাবেন।
অনেকেই তাদের কন্টেন্ট আপনার ব্লগে প্রচার করতে চাইবে। এভাবে স্পন্সর্ড কন্টেন্ট এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।
নিজস্ব কোন বা সার্ভিস থাকলে ব্লগের মাধ্যমে আপনি আপনার কাস্টমারদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।
খরচ:
ব্লগিং বিজনেস এর জন্য আপনার একটি ডোমেইন, হোস্টিংসহ ওয়েবসাইট লাগবে। ১০-১৫ হাজার টাকার মধ্যে আপনি ডোমেইন হোস্টিংসহ ওয়েবসাইট পাবেন।
আয়:
৬–১২ মাস পর নিয়মিত আয় শুরু হবে। মাসে ২০ হাজার থেকে ২ লাখ+ টাকাও আয় করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: ব্লগিং করে আয় করার ১৫ টি উপায়
৪. হোমমেড খাবার সাপ্লাই
ঘরে বসে ব্যবসা করার আইডিয়ার মধ্যে হোমমেড খাবার সাপ্লাইকে রাখতে হবে। মহিলারা চাইলেই ঘরে বসে হোমমেড খাবারের ব্যবসা করতে পারেন।
এই ধরণের ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে রান্নায় পাকা হতে হবে। ভাল রান্না হলে আপনি প্রচুর গ্রাহক পাবেন আর খাবার ভাল না হলে গ্রাহক পাবেন কম।
হোমমেড খাবার সাপ্লাই ব্যবসা করার জন্য পারফ্যাক্ট স্থান হচ্ছে অফিস আছে এমন এলাকা। এছাড়া শিল্পাঞ্চল বা মেস আছে এমন এলাকায় শুরু করতে পারেন।
কিভাবে হোমমেড ফুড ব্যবসা করবেন?
এই ধরণের ব্যবসা শুরু আপনি আপনার ঘরের রান্নাঘর দিয়েই শুরু করতে পারেন। তবে ব্যবসার পরিধি বড় হলে আলাদা রান্নাঘর লাগবে। কিছু রাধুনি নিয়োগ দিতে হবে।
বাজার করা এবং ডেলিভারি দেওয়ার জন্য কিছু লোক পাগবে। যেহেতু বিভিন্ন অফিস ও মেস টার্গেট করে আপনি এই ব্যবসা করবেন তাই এসব অফিস বা মেসের কারও সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে। তাদের মাধ্যমে অর্ডার সংগ্রহ করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেও প্রচারণা চালাতে পারেন। এক্ষেত্রে ফেসবুক বিজ্ঞাপন খুব ভাল উপায় হবে।
খরচ ও লাভ কেমন হবে?
নিজের ঘরের রান্নাঘর ব্যবহার করলে খরচ কম হবে। সেক্ষেত্রে খাবারের উপাদান কেনা ও ডেলিভারির খরচ হবে শুধু। আর বড় আকারে করলে আলাদা রান্নাঘর, কয়েকজন রাধুনি আর ডেলিভারি ম্যান নিয়োগ দিতে হবে। ৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যেই শুরু করতে পারবেন।
ব্যবসার পরিধির উপর নির্ভর করে ১০ হাজার প্লাস আয় করতে পারবেন।
৫. ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহার করে ব্যবসা
বর্তমানে জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম ইউটিউবে অসংখ্য মানুষ বিভিন্ন ধরণের ভিডিও কন্টেন্ট দেখার জন্য ইউটিউব ব্যবহার করে।
ইউটিউবে ভিডিও কন্টেন্ট দেখতে আসা এই বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে আপনি একটা ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
ইউটিউব থেকে আপনি বিভিন্নভাবে আয় করতে পারেন। যেমন:
- এডসেন্স
- স্পন্সরশীপ
- নিজস্ব পণ্য বা সেবা বিক্রয়,
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
ইউটিউব হচ্ছে শিক্ষামূলক কন্টেন্ট এর বেশি প্রসিদ্ধ। তাই আপনি শিক্ষামূলক কন্টেন্ট, পরামর্শ দেওয়া, প্রোডাক্ট রিভিউ ইত্যাদি কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন।
ইউটিউবে ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি চ্যানেল তৈরি করতে হবে। তারপর নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি করে চ্যানেলে আপলোড করতে হবে।
যখন আপনার সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ১ হাজারের উপর হয়ে যাবে তখন থেকেই আপনার আয়ের পথ খুলে যাবে। ইউটিউব থেকে যেমন আয় করতে পারবেন তেমনি আপনার নিজের পণ্য বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আপনার সাবস্ক্রাইবার যত বাড়বে তত বেশি আপনার কন্টেন্ট এর ভিউ বাড়তে থাকবে। আপনি যদি গ্রাহকের সামনে আপনার পণ্য সম্পর্কে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন তাহলে ভাল পরিমাণে বিক্রয় হবে।
আরও পড়ুন: ইউটিউব চ্যানেল কি? ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম।
৬. হ্যান্ডিক্রাফট ও কাস্টম পণ্য – ঘরে বসে ব্যবসা
বর্তমানে হ্যান্ডিক্রাফট ও কাস্টম পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে হাতে বানানো পণ্য যেমন গিফট আইটেম, হাতে বুনা নকশি কাঁথা, চাদর বা অন্য কোন কাপড়, বাড়ি সাজানোর আইটেম ইত্যাদি।
ঘরে বসে ব্যবসা হিসেবে আপনি এই ধরণের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বাড়িতে অবসর সময়ে খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন এসব পণ্য।
ধরেন আপনি নকশি কাঁথা ডিজাইন করতে পারেন। তাহলে অবসর সময়ে বসে বসে ডিজাইন করতে পারেন। প্রচার প্রচারণার জন্য আশেপাশে বাড়ি, আত্নীয়সজন আছে তাদেরকে সরাসরি আপনার পণ্য সম্পর্কে বলুন।
এছাড়া আপনার ডিজাইন করা নকশি কাঁথার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করতে পারেন। আপনার ডিজাইন পছন্দ হলে অনেকেই সেটি কিনতে চাইবে।
আপনা গ্রাহক বৃদ্ধি পেলে আপনি কিছু লোক নিয়োগ করতে পারেন। এভাবে ধীরে ধীরে ব্যবসা বৃদ্ধি পাবে।
৭. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট
ঘরে বসে ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আমরা সবাই জানি যে, প্রতিটি কোম্পানির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থিতি আছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থিতি ছাড়া বর্তমানে ব্যবসা করা খুব কঠিন। এজন্য কোম্পানিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার খুঁজে থাকে।
আপনি যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে খুব দক্ষ হোন তাহলে আপনি কিছু লোক নিয়োগ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।
সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে আপনাকে যেসব কাজ করতে হবে:
কনটেন্ট পরিকল্পনা ও তৈরি
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন, টিকটক ইত্যাদির জন্য কনটেন্ট প্ল্যান তৈরি করতে হবে। পোস্টের ক্যাপশন লিখতে হবে। ছবি, ভিডিও, রিলস, স্টোরি আইডিয়া দিতে হবে।
পোস্ট শিডিউল ও প্রকাশ
কোন দিন, কোন সময় পোস্ট দিলে ভালো রেজাল্ট আসবে তা নির্ধারণ করতে হবে। সঠিক সময়ে শিডিউল মেনে কন্টেন্ট পোস্ট করতে হবে।
অডিয়েন্সের সাথে যোগাযোগ
অডিয়েন্সরা বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন করে কমেন্ট করে থাকে। আপনাকে সেসব কমেন্টের রিপ্লাই দিতে হবে। প্রয়োজন হলে ইনবক্স করতে হবে। তাদের ফিডব্যাক নিতে হবে।
ব্র্যান্ড ইমেজ ম্যানেজমেন্ট
ব্র্যান্ডের টোন ও ভাষা ঠিক রাখতে হবে কারণ এটি ব্র্যান্ড ইমেজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নেগেটিভ কমেন্ট বা রিভিউ পেশাদারভাবে হ্যান্ডেল করতে হবে। ব্র্যান্ডের বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে হবে।
ফলোয়ার ও রিচ বাড়ানো
ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য অর্গানিক গ্রোথ স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে হবে। ট্রেন্ডিং কন্টেন্ট তৈরি ও হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন
গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ফেসবুক/ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি প্লাটফর্মে অ্যাড রান করতে হবে। টার্গেট অডিয়েন্স সেট করা,
বাজেট ও পারফরম্যান্স মনিটর করতে হবে।
রিপোর্ট ও অ্যানালাইসিস
পোস্ট কত রিচ পেল, কত লাইক/কমেন্ট হলো তা বিশ্লেষণ করে মাসিক বা সাপ্তাহিক রিপোর্ট তৈরি করা এবং কোন কনটেন্ট ভালো কাজ করছে তা বের করা।
উপসংহার
ঘরে বসে ব্যবসা শুরু করা এখন আর কোনো কঠিন বিষয় নয়। সঠিক ব্যবসার আইডিয়া নির্বাচন, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, নিয়মিত পরিশ্রম এবং ধৈর্য থাকলে অল্প পুঁজি দিয়েও ঘরে বসে সফল উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব।