আমদানি রফতানি ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যবসায়ীদের কাছে সি অ্যান্ড এফ (C&F-Clearing & Forwarding) শব্দটি খুবই পরিচিত। কারণ আমদানি-রপ্তানি পণ্যের কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও ডেলিভারি ব্যবস্থাপনা সি এন্ড এফ এজেন্টরা জড়িত।
সি এন্ড এফ ব্যবসা মূলত চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দর মতো বন্দরগুলোকে কেন্দ্র করেই হয়ে থাকে। তাই যারা সি এন্ড এফ এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা শুরু করতে চান তাদেরকে বিভিন্ন বন্দরভিত্তিক স্থানে কাজ করতে হবে।
সি অ্যান্ড এফ ব্যবসা কী?
সি অ্যান্ড এফ ব্যবসা হচ্ছে এমন এক ব্যবসা যেখানে সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট আমদানিকারক/রপ্তানিকারকের পক্ষে কাস্টমস ডকুমেন্টেশন, শুল্ক ও ট্যাক্স পরিশোধ, পণ্য খালাস, বন্দর থেকে গুদাম/কারখানায় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজগুলো করে থাকে।
সি অ্যান্ড এফ ব্যবসায় প্র্যাকটিক্যাল নলেজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আপনাকে অভিজ্ঞ C&F এজেন্টের অধীনে কাজ করতে হবে৷ কাস্টমস ব্রোকারেজ ট্রেনিং নিতে হবে৷ HS Code, Duty Structure, Import Policy Order (IPO) ভালভাবে বুঝতে হবে৷
সি অ্যান্ড এফ এজেন্টের কাজ কি?
একজন সি অ্যান্ড এফ এজেন্টকে আমদানি রফতানি কার্যক্রম সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমদানিকারক ও রফতানিকারকের পক্ষে বেশ কিছু কাজ করতে হয়। এসব কাজের মধ্যে রয়েছে :
১. ক্লায়েন্টের ডকুমেন্টস সংগ্রহ করতে হয়। এসব ডকুমেন্টস এর মধ্যে রয়েছে:
- ইনভয়েজ
- প্যাকিং লিস্ট
- Bill of Lading (BL) / Airway Bill
- LC কপি (যদি থাকে)
- Import Registration Certificate (IRC)
- Export Registration Certificate (ERC)
- ইন্সুইরেন্স সার্টিফিকেট
২. পণ্যের সঠিক HS Code নির্ধারণ করতে হয়। HS Code অনুযায়ী কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট, AIT / AT / RD নির্ধারণ করা হয়। মনে রাখবেন ভুল HS Code হলে জরিমানা বা মামলা পর্যন্ত হতে পারে।
৩. কাস্টমস ডিক্লারেশন (Bill of Entry / Bill of Export) এর কাজ করা। ASYCUDA World সিস্টেমে Bill of Entry (Import), Bill of Export (Export) সাবমিট করা।পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপলোড।
৪. ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকদের শুল্ক ও ট্যাক্স পরিশোধ, ভ্যাট ইত্যাদি পরিশোধ করে পেমেন্ট চালান সংগ্রহ করা।
৫. সি এন্ড এফকে কাস্টমস অফিসারের কাছে ফাইল উপস্থাপন করা৷ প্রয়োজন হলে ফিজিক্যাল এক্সামিনেশন, স্ক্যানিং, স্যাম্পল টেস্ট দিতে হয়।
৬. কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স নিয়ে রিলিজ অর্ডার সংগ্রহ করতে হয়। শর্ত পূরণ হলে পণ্য খালাসের অনুমতি চাইতে হয়।
৭. বন্দরে গেট পাস, ডেলিভারি অর্ডার, হ্যান্ডলিং চার্জ পরিশোধ করা,
৮. পরিবহন ও ডেলিভারির কাজ করা। ট্রাক/কাভার্ড ভ্যান এর মাধ্যমে পণ্য ক্লায়েন্টের গুদাম, কারখানা, ডিপোতে পৌঁছে দেওয়া।
৯. রপ্তানি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। যেমন:
- এক্সপার্ট ডিক্লেয়ারেশন
- EPB / ব্যাংক ডকুমেন্টেশন
- শিপিং লাইন/এয়ারলাইন সমন্বয়
১০. কাগজপত্র সংরক্ষণ ও রিপোর্টিং এর কাজ করতে হয়। প্রতিটি চালানের ফাইল সংরক্ষণ, বিল ও ভাউচার, ট্যাক্স ডকুমেন্ট সংরক্ষণ ও ক্লায়েন্টকে রিপোর্ট করতে হয়।
আরও পড়ুন : বিদেশে পণ্য রপ্তানি ব্যবসা শুরু করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন
সি এন্ড এফ ব্যবসায় আয় হয় কীভাবে?
সি এন্ড এফ ব্যবসায় বিভিন্নভাবে আয় করা যায়। যেমন:
- চালান প্রতি কমিশন
- ডকুমেন্টেশন ফি
- ক্লিয়ারেন্স চার্জ
- ট্রান্সপোর্ট মার্জিন ইত্যাদি।
সি অ্যান্ড এফ ব্যবসা শুরু করার ধাপসমূহ
সি এন্ড এফ ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে। ধাপগুলো হচ্ছে:
ধাপ ১: প্রাথমিক যোগ্যতা
সি এন্ড এফ ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। যেমন:
- বয়স কমপক্ষে ২১ বছর
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাধারণত এইচএসসি/স্নাতক (বাস্তব অভিজ্ঞতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ)
- ট্রেড ও কাস্টমস সংক্রান্ত জ্ঞান থাকা জরুরি
ধাপ ২: প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন
আপনার ব্যবসার নামে একটা ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে। সিটি করপোরেশন/পৌরসভা থেকে এই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারেন।
ব্যবসার নামে একটি BIN (Business Identification Number) সংগ্রহ করে ফেলুন। ব্যবসায়ীক লেনদেন সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংকে একটি চলতি হিসাব খুলুন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হচ্ছে C&F Agent লাইসেন্স। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) / কাস্টমস হাউস থেকে এই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়। এই লাইসেন্স পেতে হলে আপনাকে কিছু শর্ত পালন করতে হবে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে:
- নির্ধারিত ফি প্রদান,
- ব্যাংক গ্যারান্টি,
- অফিস ঠিকানা (বন্দর এলাকার কাছাকাছি হলে ভালো)
- কাস্টমস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া (কিছু ক্ষেত্রে)
ধাপ ৩: অফিস সেটআপ
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস ও লাইসেন্স সংগ্রহ করার পর আপনাকে ব্যবসা পরিচালনার জন্য একটি অফিস সেটআপ করতে হবে। মূল অফিস দিতে হবে চট্টগ্রাম / বেনাপোল / মংলার মতো বন্দর এলাকায় এবং ঢাকায় হবে ব্রাঞ্চ অফিস।
ধাপ ৪: জনবল নিয়োগ
অফিস চালানোর জন্য আপনাকে প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু জনবল নিয়োগ দিতে হবে৷ এসব জনবল এর মধ্যে রয়েছে:
- লাইসেন্সপ্রাপ্ত C&F প্রতিনিধি
- কাস্টমস ডকুমেন্টেশন অফিসার
- পিয়ন/রানার (বন্দর কাজের জন্য)
- হিসাবরক্ষক (পার্টটাইম হলেও চলবে)
আরও পড়ুন : এলসি কি? এলসি খোলার নিয়ম ও ডকুমেন্টস চেকলিস্ট।
সি এন্ড এফ ব্যবসা শুরু করতে কেমন খরচ হবে?
সি এন্ড এফ এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা শুরু করতে আপনাকে যেসব খরচ করতে হবে তার একটা আনুমানিক হিসাব নিচে দেওয়া হলো:
| খরচের খাত | আনুমানিক টাকা |
| লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন | ২–৫ লাখ |
| ব্যাংক গ্যারান্টি | ৫–১০ লাখ |
| অফিস সেটআপ | ১–২ লাখ |
| অন্যান্য খরচ | ১–২ লাখ |
| মোট | ১০–২০ লাখ টাকা |
ক্লায়েন্ট কোথায় পাবেন?
সি এন্ড এফ ব্যবসায় ক্লায়েন্ট পাওয়া এবং ধরে রাখা হচ্ছ মূল চ্যালেঞ্জ। নিয়মিত ক্লায়েন্ট পাওয়ার জন্য আপনাকে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে৷ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া ও ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন ইত্যাদি যায়গা হচ্ছে ক্লায়েন্ট পাওয়ার অন্যতম ক্ষেত্র।
এছাড়া রেফারেন্স ও নেটওয়ার্কিং ক্লায়েন্ট পেতে অনেক সাহায্য করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন LinkedIn / Facebook এ সক্রিয় থাকতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে সহজেই টার্গেট ক্লায়েন্টের কাছে পৌঁছানো যায়।
সি এন্ড এফ লাইসেন্স আবেদন চেকলিস্ট
১. আবেদনকারীর যোগ্যতা
- বয়স কমপক্ষে ২১ বছর
- বাংলাদেশি নাগরিক
- ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা: HSC / স্নাতক
- কাস্টমস আইন ও ইমপোর্ট–এক্সপোর্ট বিষয়ে ধারণা
২. প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্টস
- ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবসার ধরন: C&F Agent / Clearing & Forwarding)
- TIN সার্টিফিকেট
- BIN (VAT Registration Certificate)
- ব্যবসার জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
- ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট
৩. অফিস সংক্রান্ত ডকুমেন্টস
- অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র / মালিকানা দলিল
- অফিস ঠিকানার ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানি)
- অফিসের সাইনবোর্ড (C&F Agent লেখা থাকতে হবে)
- অফিসের ছবি (ভিতর ও বাহির)
৪. ব্যক্তিগত ডকুমেন্টস
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৬–৮ কপি)
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র
- জীবনবৃত্তান্ত (CV)
৫. ব্যাংক গ্যারান্টি ও আর্থিক কাগজ
- নির্ধারিত পরিমাণ ব্যাংক গ্যারান্টি (সাধারণত ৫–১০ লাখ টাকা, কাস্টমস হাউস ভেদে ভিন্ন হতে পারে)
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট (শেষ ৬ মাস)
৬. আবেদন ফরম ও ফি
- নির্ধারিত C&F লাইসেন্স আবেদন ফরম পূরণ
- আবেদন ফি চালান / পে-অর্ডার
- NBR / সংশ্লিষ্ট কাস্টমস হাউসে জমা রসিদ
৭. জামানত ও অঙ্গীকারনামা
- নির্ধারিত স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা
- চারিত্রিক সনদ (স্থানীয় চেয়ারম্যান/কাউন্সিলর থেকে)
৮. অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ (যদি থাকে)
- সি এন্ড এফ ট্রেনিং সার্টিফিকেট (থাকলে সুবিধা)
- অভিজ্ঞ সি এন্ড এফ এজেন্টের অধীনে কাজের প্রমাণ (যদি থাকে)
৯. কাস্টমস ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ
- অফিস ভিজিট (কাস্টমস কর্তৃপক্ষ)
- মৌখিক/লিখিত পরীক্ষা (কিছু কাস্টমস হাউসে হয়)
- ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সম্পন্ন
১০. লাইসেন্স সংগ্রহ
- অনুমোদন নোটিশ
- লাইসেন্স ফি পরিশোধ
- C&F Agent লাইসেন্স সংগ্রহ
কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৬
প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে আমদানি ও রপ্তানিকারদের জন্য ‘সেবার মান বৃদ্ধি’ এবং সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা ‘সহজতর ও যুগোপযোগী’ করার লক্ষ্যে এনবিআর স্বতন্ত্র ‘কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৬ প্রণয়ন করেছে ।
বিধিমালায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর একটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স এর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। লাইসেন্সের সংখ্যার কোন সীমা থাকবে না।
কোনো স্থল কাস্টমস স্টেশন বন্ধ হয়ে গেলে ওই স্টেশনের জন্য ইস্যু করা সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সের কার্যকারিতা আর আগের মত বাতিল করা হবে না। লাইসেন্সধারী সি এন্ড এফ এজেন্ট অন্য যে কোনো সচল কাস্টমস স্টেশনে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
সি অ্যান্ড এফ ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য কিছু টিপস
১.১০০% নির্ভুল কাজ করুন। সি অ্যান্ড এফ ব্যবসার সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো ভুল না করা। HS Code সঠিক নির্বাচন, ডকুমেন্ট কমপক্ষে ২ বার চেক করা, Import Policy Order (IPO) আপডেট জানা, কাস্টমস ডিউটি হিসাব নিখুঁত করা আপনাকে এই ব্যবসায় অনেক এগিয়ে দিবে।
২. প্রথম দিকে কাজ শিখুন, তারপর ধীরে ধীরে নিজেকে প্রসারিত করুন। শুরুর দিকে নিজে হাতে ক্লিয়ারেন্স প্রসেস শিখুন, বড় চালান না নিয়ে ছোট কাজ করুন, অভিজ্ঞ C&F এজেন্টের সাথে কাজ করুন। ৬–১২ মাস শেখার জন্য সময় দিন।
৩. কাস্টমস ও বন্দর নেটওয়ার্ক গড়ুন। এই ব্যবসাটির সফলতা অনেকখানি নেটওয়ার্ক এর উপর নির্ভরশীল। এজন্য কাস্টমস অফিসারদের সাথে প্রফেশনাল সম্পর্ক তৈরি করুন, Port Authority, CFS, ICD স্টাফদের ভালভাবে চেনার চেষ্টা করুন, শিপিং লাইন ও ট্রান্সপোর্টারদের সাথে যোগাযোগ রাখুন।
৪. বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করুন। এজন্য আপনাকে:
- সময়মতো পণ্য ডেলিভারি করতে হবে,
- ক্লায়েন্টকে খরচ স্বচ্ছভাবে জানাতে হবে,
- সমস্যা হলে আগেই জানাতে হবে,
৫. ক্লায়েন্ট বাছাই এর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। নতুন কিন্তু সন্দেহজনক আমদানিকারক, অবৈধ পণ্য বা মিসডিক্লেয়ারেশন দেয় এমন ক্লায়েন্ট এর কাজ কখনও করবেন না।
৬. দক্ষতার সাথে ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্ট করুন। প্রতিটি ব্যবসার জন্য এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা করবেন:
- ব্যবসার জন্য আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট,
- প্রতিটি চালানের আলাদা হিসাব,
- অগ্রিম টাকা ছাড়া কাজ না করা,
- ব্যাংক গ্যারান্টির সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা,
- ক্যাশফ্লো ঠিক রাখা,
৭. আইনি ঝুঁকি কমানোর জন্য কাস্টমস আইন ও SRO সম্পর্কে আপডেট থাকতে হবে। সন্দেহ হলে লিখিত ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে। কপি ডকুমেন্ট ৫–৭ বছর সংরক্ষণ করতে হবে।
পরিশেষে
সি এন্ড এফ ব্যবসা যেহেতু আমদানি রফতানির সাথে সম্পর্কিত ব্যবসা তাই আপনাকে সবসময় সতর্ক ও আপডেট থাকতে হবে। সহজে ভুল করা যাবে না। যে ৭ টি ভুলের কারণে সি এন্ড এফ ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে এটা দিয়েই আজকের লেখা শেষ করবো।
১. শর্টকাট খোঁজা
২. নিয়ম ভাঙা
৩. বেশি ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য
৪. হিসাব গড়মিল
৫. অপ্রশিক্ষিত স্টাফ
৬. ভুল HS Code
৭. লোভ