মুদি দোকান ব্যবসা বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো ও নির্ভরযোগ্য ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোর একটি। শহর থেকে গ্রাম প্রতিটি এলাকায় মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে মুদি দোকানের বিকল্প নেই।
চাল, ডাল, তেল, মসলা থেকে শুরু করে সাবান, ডিটারজেন্ট সবকিছু এক জায়গায় পাওয়ার সুবিধার কারণে এই ব্যবসার চাহিদা সব সময়ই স্থায়ী। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তুলনামূলক অল্প পুঁজি নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করা যায়।
এই লেখায় মুদি দোকান ব্যবসা কীভাবে শুরু করবেন, কীভাবে সাজাবেন, লাভ কেমন হয় এবং কিভাবে বিক্রয় ও লাভ বাড়ানো যায় এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সহজ ভাষায় আলোচনা করেছি।
মুদি দোকান ব্যবসা শুরু করবেন যেভাবে
মুদি দোকান ব্যবসা শুরু করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
১. মুদি দোকান ব্যবসার ধরণ ঠিক করুন
এই ধরণের ব্যবসা শুরু করার আগে ব্যবসার ধরণ ঠিক করতে হবে। ছোট, মাঝারি নাকি বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর দিবেন সেটি ঠিক করুন।
ছোট মুদি দোকান ৮০-১৫০ ফুট বর্গফুটের মধ্যে হয়ে থাকে। মাঝারি মুদি দোকান ১৫০–৩০০ বর্গফুট এবং ৩০০ বর্গফুটের বেশি হলে এটাকে বড় মুদির দোকান বলা যায়।
২. দোকানের জায়গা নির্বাচন
লোকেশন যেকোনো ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লোকেশন ভাল হলে নিয়মিত ক্রেতা পাওয়া যায় ও প্রচুর বিক্র হয়।
লোকেশন হিসেবে আবাসিক এলাকা, রাস্তার পাশ / গলির মুখ, স্কুল-মসজিদ-বাজারের আশেপাশের যায়গা নির্বাচন করতে পারেন। তবে আশেপাশে বেশি মুদি দোকান না থাকে সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখবেন।
ভাড়া হলে মাসিক ভাড়া আপনার মোট বিনিয়োগের ৫-৭% এর বেশি না হওয়াই ভালো।
৩. মুদি দোকানে কোন কোন পণ্য রাখবেন
মুদি দোকানে কি কি আইটেম রাখবেন সে বিষয়ে আপনার একটা ধারণা থাকতে হবে।
নিচে মুদি পণ্যের তালিকা দিলাম:
চাল-ডাল-শস্য
- মিনিকেট চাল
- নাজিরশাইল চাল
- আতপ চাল
- বাসমতি চাল
- আটা
- ময়দা
- সুজি
- মুসুর ডাল
- মুগ ডাল
- মসুর ডাল (খোলা/প্যাকেট)
- ছোলা
- ছোলার ডাল
মসলা ও রান্নার উপকরণ
- লবণ (খোলা ও প্যাকেট)
- হলুদ গুঁড়া
- মরিচ গুঁড়া
- ধনিয়া গুঁড়া
- জিরা
- গোলমরিচ
- তেজপাতা
- দারুচিনি
- এলাচ
- লবঙ্গ
- আদা গুঁড়া
- রসুন গুঁড়া
তেল ও চর্বি জাতীয় পণ্য
- সয়াবিন তেল
- পাম তেল
- সরিষার তেল
- ঘি
- বনস্পতি
চিনি ও মিষ্টি জাতীয়
- চিনি
- গুড়
- মিছরি
- চকলেট
- টফি
বিস্কুট, স্ন্যাকস ও শুকনা খাবার
- বিস্কুট (বিভিন্ন ব্র্যান্ড)
- চানাচুর
- মুড়ি
- চিড়া
- নুডলস
- পাস্তা
- কর্নফ্লেক্স
চা, কফি ও পানীয়
- চা পাতা
- কফি
- সফট ড্রিংকস
- মিনারেল পানি
- জুস (প্যাকেট)
সাবান ও পরিষ্কার সামগ্রী
- গোসলের সাবান
- কাপড় ধোয়ার সাবান
- ডিটারজেন্ট পাউডার
- ডিটারজেন্ট লিকুইড
- ফিনাইল
- হারপিক
- টিস্যু পেপার
ব্যক্তিগত পরিচর্যা পণ্য
- টুথপেস্ট
- টুথব্রাশ
- শ্যাম্পু
- হেয়ার অয়েল
- ফেসওয়াশ
- শেভিং ক্রিম
দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় (চাহিদাভেদে)
- ডিম
- পাউরুটি
- দুধ (প্যাকেট/পাউডার)
- বেবি ফুড
- মশা নিধন কয়েল
অন্যান্য প্রয়োজনীয়
- ম্যাচ
- মোমবাতি
- ব্যাটারি
- প্লাস্টিক ব্যাগ
- অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল
প্রথমে সব আইটেম না এনে অল্প মুদি আইটেম দিয়ে শুরু করুন। পরবর্তীতে পণ্যের পরিমাণ বাড়ান। যেগুলো প্রতিদিন বিক্রি হয় সেগুলো আগে আনুন।
মাল কোথা থেকে কিনবেন?
বিভিন্ন যায়গা থেকে মালামাল কিনতে পারেন যেমন:
- স্থানীয় পাইকারি বাজার,
- বড় ডিলার / কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটর, পরিচিত মুদি
- দোকানের মাধ্যমে ডিলার নাম্বার সংগ্রহ করবেন।
৫. লাইসেন্স ও ডকুমেন্টস
মুদি দোকানের জন্য কি ট্রেড লাইসেন্স লাগে? অনেকেই এই প্রশ্ন করে থাকেন। আসলে ট্রেড লাইসেন্স এমন একটি ডকুমেন্ট যা ব্যবসার বৈধতার জন্য প্রয়োজন।
তাই মুদি ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। স্থানীয় ইউনিয়ন/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন থেকে আপনি ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: সুপারশপ ব্যবসা শুরু করবেন যেভাবে? ডেকোরেশন টিপস।
৬. মুদি দোকান ডেকোরেশন
মুদি দোকান সুন্দরভাবে সাজালে বিক্রি ২০–৩০% পর্যন্ত বাড়তে পারে।দোকান সাজানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে কাস্টমার যেন সহজে পণ্য খুঁজে পায়। দোকানটা দেখতে সুন্দর লাগে।
যেভাবে মুদি দোকান ডেকোরেশন করতে পারেন
দেয়ালের পাশে র্যাক ও শেলফ সেটআপ করতে পারেন। লোহার/কাঠের মাল্টি-লেভেল র্যাক দিতে পারেন। উপরে হালকা পণ্য (বিস্কুট, চানাচুর) ও নিচে ভারী পণ্য (চাল, আটা, তেল) রাখতে পারেন।
কাউন্টারের পেছনে চা, কফি, চিপস, শ্যাম্পু, ছোট আইটেম (ঝুলানো হুক) রাখতে পারেন।
মাঝখানে জায়গা থাকলে ১-২টা স্ট্যান্ড র্যাক দিন যেখায় দ্রুত বিক্রি হওয়া পণ্য রাখতে পারেন।
ক্যাটাগরি অনুযায়ী পণ্য সাজানো গুরুত্বপূর্ণ। যেমন চাল–ডাল–তেল–মসলা ইত্যাদি রান্নার পণ্য এক লাইনে রাখুন।
পরিষ্কার সামগ্রী যেমন ডিটারজেন্ট, সাবান, হারপিক ইত্যাদি খাবার থেকে দূরে রাখুন।
বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস ইত্যাদি স্ন্যাকস কাস্টমারের চোখের লেভেলে রাখুন।
চাল, ডাল, চিনি স্বচ্ছ প্লাস্টিক ড্রামে রাখুন। পরিষ্কার ঢাকনা ব্যবহার করুন। প্রতিটায় নাম ও দাম লিখে রাখুন।
দোকানে সাদা LED লাইট ব্যবহার করুন। দেয়ালের রঙ হবে হালকা রঙ (সাদা/হালকা সবুজ)। প্রতিদিন মেঝে ও র্যাক পরিষ্কার রাখুন।
কাউন্টার ও ক্যাশ এরিয়া দোকানের সামনে রাখুন। স্টেশনারী আইটেম সহজে পাওয়া যায় এমন জায়গায় রাখুন।
দরজার কাছাকাছি ফ্রিজ রাখুন। পানি ও সফট ড্রিংকস আলাদা শেলফে রাখুন।
ছোট দোকান হলে ঝুলানো হুক ব্যবহার করুন, প্যাকেট শ্যাম্পু ঝুলিয়ে রাখুন, দেয়ালের উচ্চতা সদ্ব্যবহার ব্যবহার করুন।
যেসব ভুল করবেন না
- সব পণ্য এলোমেলো রাখা
- দাম লেখা না রাখা
- খুব বেশি স্টক সামনে গাদা করে রাখা
- অন্ধকার দোকান
আরও পড়ুন: ডিলারশিপ ব্যবসা কি? ডিলারশিপ ব্যবসার চুক্তিপত্র তৈরি করার নিয়ম।
মুদি দোকান ব্যবসা দিতে কত টাকা লাগে?
মুদি দোকান দিতে কত টাকা লাগবে তা নির্ভর করবে আপনার দোকানের মালামাল, পরিধি, স্থানের মূল্য ও সাজসজ্জা উপর।
এসব বিবেচনায় একটি ছোট আকারের মুদি দোকান দিতে ১ থেকে ৩ লাখ টাকা পুঁজি লাগবে।
মাঝারি আকারের মুদি দোকান দিতে ৩ থেকে ৭ লাখ টাকা পুঁজি লাগবে।
বড় আকারের মুদি দোকান দিতে ৮ লাখ + টাকা লাগবে।
মুদি দোকান ব্যবসায় লাভ কেমন হয়?
মুদি দোকানে বিক্রি বেশি হয় কিন্তু লাভ তুলনামূলক কম। পণ্যের ধরণ অনুযায়ী লাভের পরিমাণ ভিন্ন হয়।
গড় লাভের হার নিম্নরূপঃ
| পণ্যের ধরন | লাভ (%) |
| চাল, আটা, ডাল | ৩% – ৬% |
| তেল, চিনি | ২% – ৫% |
| মসলা (প্যাকেট/খোলা) | ১০% – ২০% |
| বিস্কুট, চানাচুর | ৮% – ১৫% |
| সাবান, ডিটারজেন্ট | ৫% – ১২% |
| পানীয়, পানি | ১০% – ২৫% |
মোট গড় লাভ প্রায় ৫% – ১২%।
মাসিক লাভের উদাহরণ (ছোট দোকান)
ধরা যাক, আপনার দৈনিক বিক্রি = ৫,০০০ টাকা। তাহলে মাসিক বিক্রি = ৫,০০০ × ৩০ = ১,৫০,০০০ টাকা।
সম্ভাব্য লাভ
গড় লাভ ৮% হলে ১,৫০,০০০ × ৮% = ১২,০০০ টাকা (গ্রস লাভ)
খরচ
দোকান ভাড়া: ৪,০০০
বিদ্যুৎ/নেট/অন্যান্য: ২,০০০
নীট লাভ ৬,০০০ টাকা
যদি নিজের দোকান হয় বা নিজে বসেন তাহলে লাভ আরও বেশি থাকে। আর বিক্রির পরিমাণ বেশি হলে লাভের পরিমাণ বাড়বে।
লাভ বাড়ানোর কৌশল
- বেশি মার্জিন পণ্য বাড়ান (মসলা, চানাচুর, পানি)
- খোলা পণ্য রাখুন (লাভ বেশি)
- কোম্পানি ডিলার থেকে সরাসরি কিনুন
- দাম বোর্ড ঝুলান (বিশ্বাস বাড়ে)
- বাকিতে কম দিন
- নিজে দোকানে বসুন
যে কারণে লাভ কমে যায়
- বেশি বাকিতে বিক্রি করলে,
- মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য,
- অপ্রয়োজনীয় স্টক লাভ কমিয়ে দেয়,
- চুরি/লস
মুদি দোকান ব্যবসায় লাভের হিসাব রাখার কৌশল
অনেক মুদি ব্যবসায়ী লাভের টাকা খুঁজে পান না বা লাভ আলাদা করতে পারেন না। এটা বড় একটা সমস্যা।
প্রতিদিন ক্যাশ আলাদা না করলে মুদি ব্যবসায় লাভ ধরা যায় না।
মুদি দোকান ব্যবসায় লাভ হিসাব করার নিয়ম
আলাদা ৩টা খাতা/ফাইল রাখুন
খাতা ১: দৈনিক বিক্রি খাতা
সকালে ক্যাশ কত ছিল লিখুন, রাতে ক্যাশ কত হলো লিখুন।
দিনে বিক্রি = (রাতের ক্যাশ + বাকির টাকা) – সকালের ক্যাশ।
খাতা ২: কেনাকাটা/খরচ খাতা
মাল কেনা, ভাড়া, বিদ্যুৎ, চা-নাস্তা, নিজের নেওয়া টাকা (এটাও খরচ) ইত্যাদি থাকবে।
খাতা ৩: বাকির খাতা
যে বাকি খেয়েছে তার নাম ও টাকার পরিমাণ।
সপ্তাহে ১ দিন হবে আদায় দিন।
লাভের ক্যাশ বক্স পদ্ধতি (সবচেয়ে সহজ)
দোকানে ২টা ক্যাশ বক্স রাখুন
১টা = ব্যবসার টাকা
১টা = লাভের টাকা
প্রতিদিন রাতে আনুমানিক লাভ (৫–১০%) হিসাব করুন সেই টাকা লাভের বক্সে তুলে রাখুন। এই টাকা খরচ করবেন না। মাস শেষে দেখবেন লাভ হাতে জমা আছে।
সহজ লাভ হিসাব ফর্মুলা
(মাসের মোট বিক্রি – মাসের মোট কেনাকাটা – দোকানের খরচ) = নেট লাভ
প্রতিদিন হিসাব করার দরকার নেই, সাপ্তাহিক/মাসিক হিসাব করুন। নিজের খরচকে বেতন বানান। দোকানের ক্যাশ থেকে ইচ্ছামতো টাকা নেওয়া বন্ধ করুন।
খোলা পণ্যের লস হিসাব করুন। যেমন চাল–ডাল ঝরে যাওয়া, মাপ কম-বেশি।
সপ্তাহে ১ দিন হিসাবের দিন হিসেবে রাখুন। এদিন মোট বিক্রি, মোট খরচ, হাতে থাকা ক্যাশ, স্টকের আনুমানিক মূল্য সবকিছু মিলে হিসাব মেলান।
আরও পড়ুন: বিক্রয় বৃদ্ধির ১৫ টি কৌশল যা আপনার বিক্রয় ৩ গুণ বৃদ্ধি
মুদি দোকান ব্যবসায় বিক্রয় বাড়ানোর টিপস
মুদি দোকান ব্যবসায় বিক্রয় বাড়ানোর জন্য আপনাদের কিছু টিপস দিলাম।
১. পণ্য সাজাতে হবে পরিকল্পনামাফিক।পরিকল্পনামাফিক পণ্য সাজাতে পারলেই আপনার বিক্রি বেড়ে যাবে। চোখের লেভেলে বেশি বিক্রি হয় এমন পণ্য রাখুন। বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস সামনে, চাল–ডাল নিচে, হালকা পণ্য উপরে রাখুন।
২. দাম স্পষ্ট করে লিখুন। খোলা পণ্যে দামের বোর্ড দিন। এতে কাস্টমারের বিশ্বাস বাড়ে।
৩. কাস্টমারের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করুন। তাদের সাথে হাসিমুখে কথা বলুন। নাম মনে রাখুন। ছোট বাচ্চাদের চকলেট দিন।
৪. সবসময় চাহিদার পণ্য রাখুন। কারণ গ্রাহকরা সেই দোকানে বেশি যায় যেখানে প্রয়োজনীয় সব পণ্য পাওয়া যায়।
৫. বেশি লাভের পণ্য বাড়ান। কারণ বেশি লাভের পণ্য অল্প বিক্রি করলেও লাভ অনেক।
৬. মাঝে মধ্যে গ্রাহকদের অফার দিন। যেমন ৩ প্যাকেট কিনলে ৫ টাকা ছাড়। ১০০ টাকার কেনাকাটায় টফি ফ্রি ইত্যাদি।
৭. বান্ডেল হিসেবে পণ্য বিক্রি করলেও বিক্রি বাড়ে। যেমন ১ কেজি চাল + ২৫০ গ্রাম ডাল, ১ লিটার তেল + ১ প্যাকেট। লবণ
৮. খোলার সময় ঠিক করুন। প্রতিদিন একই সময়ে দোকান খুললে কিছু ফিক্সড কাস্টমার পাওয়া যায় কারণ গ্রাহকরা যখন দেখে একই সময়ে দোকান খোলে তখন অনেকেই বিশেষ করে সকাল বেলা কিছু কিনতে বের হলে সরাসরি নির্দিষ্ট সময়ে খোলা দোকানেই চলে যায়।
৯. সঠিকভাবে হিসাব রাখুন। দৈনিক বিক্রির খাতায় সকল হিসাব ভালভাবে লিখে রাখুন। তাহলে কোন পণ্য বেশি বিক্রি হচ্ছে বুঝতে পারবেন।
১০. নিজ এলাকায় হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা করুন। নতুন কোন পণ্য আসলে সেটি দোকানের সামনে বোর্ডে লিখে রাখতে পারুন। বিক্রয় বাড়ানোর জন্য মুদি দোকানের পাশাপাশি বিকাশ/নগদের মতো সার্ভিস রাখতে পারেন।
পরিশেষে
মুদি দোকান ব্যবসা দ্রুত ধনী হওয়ার পথ না হলেও এটি একটি নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি আয়ের উৎস। নিয়মিত ক্রেতা, দৈনন্দিন বিক্রি এবং কম ঝুঁকির কারণে এই ব্যবসা নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
তবে পাড়া মহল্লায় এখন মুদি দোকানের পরিমাণ বাড়ছে তাই ভালই প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হবেন। সেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বিক্রয় বাড়ানোর কৌশল প্রয়োগ করুন। আশা করি সফল হবে।
