Home Business Guidelines কম খরচে শুরু করতে পারবেন এমন শহরে ব্যবসার আইডিয়া

কম খরচে শুরু করতে পারবেন এমন শহরে ব্যবসার আইডিয়া

আমাদের কাছে অনেকেই শহরে ব্যবসার আইডিয়া জানতে চান। তাদের মধ্যে কেউ হয়তো শহরে নতুন এসেছেন আবার অনেকেই শহরের পুরাতন বাসিন্দাও আছেন। তাদের উদ্দেশেই আজকের এই লেখা। আশা করি নিচের আইডিয়াগুলো আপনার খুব ভাল কাজে দিবে।

৯ টি শহরে ব্যবসার আইডিয়া

১. কফি শপ
২. বুটিক হাউজ
৩. আবাসিক হোটেল/ রিসোর্ট ব্যবসা
৪. রেস্টুরেন্ট ব্যবসা
৫. বিউটি পার্লার ব্যবসা
৬. জিম সেন্টার
৭. রেন্ট-এ-কার ব্যবসা
৮. ফুড ডেলিভারি
৯. ই-কমার্স ব্যবসা

১. কফি শপ 

শহরে ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে কফি শপকে প্রথমদিকেই রাখতে হবে। কারণ শহরের মানুষ দল বেঁধে কফি শপে গিয়ে আড্ডা দিতে পছন্দ করে। বিশেষ করে তরুণ ছেলেমেয়েদের কফি শপে গিয়ে আড্ডা দেওয়াটা শহরের কমন একটা দৃশ্য।

কফিশপে গ্রাহক আকর্ষণ করার জন্য ইণ্টেরিয়র ডিজাইন একটা বড় ফ্যাক্টর। ভেতরের সাজসজ্জা যত সুন্দর হবে আপনি তত বেশি গ্রাহক আকর্ষণ করতে পারবেন। প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম আলোর চমৎকার একটা মিশেল রাখতে পারেন।

এই ধরণের ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে স্থান এবং আকারভেদে ১ লাখ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

এসব খরচের মধ্যে রয়েছে দোকান ভাড়া এবং ভাড়ার সাথে এডভান্স টাকা, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয় এবং কর্মচারিদের বেতন।

কফিশপ চালানোর আপনাকে যেসব সরঞ্জাম কিনতে হবেঃ

  • এসপ্রেসো মেশিন,
  • গ্রাইন্ডার,
  • ব্রিউয়ার,
  • থার্মাল সার্ভার,
  • আইস মেশিন,
  • ফ্রোটিং পিচার,
  • বেকারি ডিসপ্লে কেস,
  • চা এবং কফি মগ,
  • টেকওয়ে কাপ,
  • ঢাকনা এবং স্ট্র,
  • অ্যাপ্রন,
  • ন্যাপকিন ইত্যাদি ।

২. বুটিক হাউজ 

শহরে ব্যবসার আইডিয়া

শহরের মানুষ ফ্যাশন সচেতন হয়ে থাকে। এই ফ্যাশন সচেতন মানুষদের টার্গেট করেই গড়ে উঠছে বুটিক হাউজগুলো। সাধারণত তৈরি করা জামার উপরে বাহারি ডিজাইন করে গ্রাহকদের সামনে প্রদর্শন করে বুটিক হাউজগুলো।

বুটিক ব্যবসায় সৃজনশীলতা, চলমান ট্রেন্ড সম্পর্কে জ্ঞান রাখা এবং গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন করার উপর সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে। চলমান ট্রেন্ড সম্পর্কে খোঁজখবর রাখার জন্য নিয়মিত পত্রিকা এবং ফ্যাশন ম্যাগাজিন পড়বেন এবং ইউটিউবে ভিডিও দেখবেন।

আপনি বুটিক কাজ দুইভাবে করতে পারেন। একটা হচ্ছে নিজে ডিজাইন করে প্রদর্শন করে রাখতে পারেন এবং আরেকটা হচ্ছে গ্রাহক তার চাহিদা অনুযায়ী অর্ডার করবে আপনি তার চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন করে দিবেন।

এই ধরণের ব্যবসা শুরু করতে খুব বেশি পুঁজি লাগবে না। আপনি চাইলে আপনার এলাকার গলির ভেতরেও এই ধরণের ব্যবসা দিতে পারেন। দোকানটা সুন্দর করে ডেকোরেশন করুন যাতে রুচিশীল মনে হয়।

ডিজাইন করার জন্য কাপড়, সেলাই মেশিন, পুঁথি, পাথর, সুতা, কাঠের ডাইস, রঙ ইত্যাদি উপকরণ প্রয়োজন হবে। এসব উপকরণ যেন নিয়মিত পেতে পারেন এজন্য ভালো সাপ্লায়ার খুঁজে বের করুন।

আরও পড়ুন: ২০২৬ সালের ৭ টি সম্ভাবনাময় বড় ব্যবসার আইডিয়া

৩. আবাসিক হোটেল / রিসোর্ট ব্যবসা

নানা ধরণের মানুষ বিভিন্ন কাজে প্রতিদিন শহরে আসতে হয়। শহরে সবার আত্বীয়স্বজন থাকে না। তাই শহরে আসা এসব মানুষকে আবাসিক হোটেলে থাকতে হয়। তাদেরকে টার্গেট করে আপনি আবাসিক হোটেল দিতে পারেন।

আবার রিসোর্ট ব্যবসার মূল টার্গেট গ্রাহক হচ্ছে সৌখিন এবং ধনী গ্রাহক। যাদের অনেক টাকা আছে এবং অবসর সময়ে নিরিবিলি পরিবেশে থাকতে চায়।

রিসোর্টে গ্রাহক টানার জন্য বলেন বিভিন্ন ধরণের বিনোদনের ব্যবস্থা রাখতে হয়। খোলা যায়গা, কটেজের মত ঘর, আড্ডা এসব ঘোরাঘুরির যায়গা, গোসল করার জন্য সুইমিংপুলের ব্যবস্থা এবং খেলাধুলার জন্য বিভিন্ন রাইডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন।

আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে জমজমাট স্থান নির্বাচন করতে হবে। কারণ প্রচুর মানুষের যাতায়াত আছে এমন যায়গা ছাড়া আপনি বেশি গ্রাহক পাবেন না।

রিসোর্টের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা উলটো। নিরিবিলি পরিবেশে রিসোর্ট দিতে হবে। কারণ মানুষ রিসোর্টে যায় একটু নিরিবিলি পরিবেশে আনন্দে সময় কাটাতে।

আবাসিক হোটেল বলেন আর রিসোর্ট বলেন এগুলোর খরচ নির্ভর করবে স্থান, আকার এবং গ্রাহকদের জন্য কতটুকু সুযোগ সুবিধা দিচ্ছেন তার উপর।

৪. রেস্টুরেন্ট ব্যবসা

শহরের ব্যবসার আইডিয়া এর মধ্যে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা অন্যতম। শহরের মানুষ হরহামেশাই রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেতে পছন্দ করে। এছাড়া গ্রাম থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ বিভিন্ন কাজে শহরে আসে। এসব মানুষের খাওয়ার একমাত্র যায়গা হচ্ছে রেস্টুরেন্ট।

রেস্টুরেন্ট ব্যবসার জন্য লোকেশন একটা বড় ফ্যাক্টর। সঠিক লোকেশনে রেস্টুরেন্ট দিতে না পারলে আপনার লসে সম্ভাবনা অনেক। এমন যায়গা নির্বাচন করবেন যেখানে প্রচুর মানুষের আনাগোনা আছে।

বাজার, স্কুল কলেজ, হাসপাতাল, তিন রাস্তার মোড় ইত্যাদি যায়গা রেস্টুরেন্টের জন্য উপযোগী।

রেস্টুরেন্ট ব্যবসা শুরু করতে যায়গা ভেদে ১ লাখ থেকে ৩০-৪০ লাখ টাকাও লাগতে পারে। বেশি পরিমাণে বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই ভাল করে পরিকল্পনা করে নিন অন্যথায় লসে পড়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে যাবেন।

বিস্তারিত পড়ুন: রেস্টুরেন্ট ব্যবসা শুরু করার জন্য যেভাবে পরিকল্পনা করলে সফল হবেন

৫. বিউটি পার্লার ব্যবসা

শহরে মেয়েরা অনেক বেশি সাজগোজ করে থাকে। যেকোনো অনুষ্ঠান বা দিবসের আগে বেশিরভাগ মেয়েরা বিউটি পার্লারে যেয়ে থাকে। যেকোনো শহরে বিউটি পার্লারের ব্যবসা বেশ ভাল চলে।

বিউটি পার্লারের ব্যবসা দিতে হলে আপনাকে বিউটি এক্সপার্ট হতে হবে। নিজে না জানলে শুধু কর্মী দিয়ে আপনি সফল হতে পারবেন না।

কারণ আপনার কর্মীরা মেকআপ ভাল করে করতে পারছে কিনা তার বুঝার জন্যও হলেও আপনার এই বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে।

এই ধরণের ব্যবসা শুরু করতে খুব বেশি খরচ হবে না। নিজের বাসাতেও একটা রুম নিয়েও এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তবে ভাল লোকেশনে বড় যায়গা ভাড়া নিয়ে বিউটি পার্লার দিতে হলে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে।

যেসব জিনিস বিউটি পার্লার চালানোর জন্য আপনাকে কিনতে হবে তার মধ্যে রয়েছে চেয়ার, আয়না, হেয়ার স্পা মেশিন, হেয়ার রিকভারি মেশিন, ফেসিয়াল মেশিন, হেয়ার হিটার লাগবে। সেই সঙ্গে লাগবে ভালো মানের প্রসাধনী সামগ্রী।

আরও পড়ুন: ৮ টি আধুনিক ব্যবসার আইডিয়া – ২০২৬ সাল

৬. জিম সেন্টার – শহরে ব্যবসার আইডিয়া 

মানুষ প্রতিনিয়ত শরীর সচেতন হচ্ছে। বেশিরভাগ মানুষ তাদের শরীর ফিট রাখার জন্য নিয়মিত শরীর চর্চা করছে। আর শরীর চর্চা করার জন্য মানুষের পছন্দের যায়গা হচ্ছে জিম সেন্টার।

জিমের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ার কারণে জিম সেন্টারের চাহিদা বাড়ছে। মানুষের এই আগ্রহকে পুজি করে দেশে জিম সেন্টারের সংখ্যাও বেড়ে চলছে।

স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠের পাশে বা ব্যস্ততম রাস্তার পাশে জিম সেন্টার দিতে পারেন। এসব যায়গা জিম সেন্টারের জন্য উপযুক্ত।

জিম ব্যবসায় গ্রাহক আকর্ষণ করার জন্য ভাল ট্রেনার রাখতে হবে এবং জিমের জন্য পর্যাপ্ত সামগ্রী যেমন

  • ডাম্বেল,
  • ট্রেড মিল,
  • ইলেকট্রিক স্টিম বার্থ
  • এক্সারসাইজ বাইক
  • কেটালেবেলস (Kettlebells)
  • বারবেলস (Barbells)
  • রোয়িং মেশিন ( Rowing machine)
  • স্টেয়ার ক্লাইম্বার (Stair Climbers)
  • লেগ প্রেস মেশিন
  • চেস্ট প্রেস মেশিন ইত্যাদি ।

৭. রেন্ট-এ-কার ব্যবসা  

শহরে ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে রেন্ট-এ-কার ব্যবসা করতে পারেন। বর্তমানে এই ধরণের ব্যবসার পরিধি দিন দিন বাড়ছে।

এর একটা বড় কারণ হচ্ছে মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ছে তাই অনেকেই এখন তাদের স্ট্যাটাস বজায় রাখার জন্য ব্যক্তিগত গাড়ি ভাড়া করে শহর থেকে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে।

অনেকেই আবার গাড়ি ভাড়া করে বিভিন্ন যায়গায় বেড়াতে যাচ্ছে। এসব গ্রাহক ছাড়াও অনেক কর্পোরেট গ্রাহক পাবেন যারা অফিসের কাজে ব্যবহার করার জন্য মাসভিত্তিক গাড়ি ভাড়া করতে চায়। ।

অনেক বিদেশি আছে যারা স্বল্প সময়ের জন্য বাংলাদেশে আসে তাদের কাছেও আপনি গাড়ি ভাড়া দিতে পারবেন।

রেন্ট-এ-কার ব্যবসা করার জন্য আপনার কিছু গাড়ি লাগবে। আপনার নিজের অনেক মূলধন থাকলে কয়েকটা গাড়ি কিনে কিছু ভাল ড্রাইভার নিয়োগ দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

নিজের মূলধনের স্বল্পতা থাকলে কয়েকজন গাড়ি মালিকের সাথে অংশীদারি ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

আরও পড়ুন: রাইড শেয়ারিং ব্যবসা কি? শুরু করার স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন। 

৮. ফুড ডেলিভারি ব্যবসা – শহরে ব্যবসার আইডিয়া

শহরের মানুষ সাধারণত ভোজনরসিক হয়ে থাকে। ভোজনরসিক এসব মানুষ সময়ের অভাবে সবসময় রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়ার সুযোগ পায় না। তাই বাসায় বসেই খাবারের অর্ডার করে থাকে।

এছাড়া চাকরিজীবী দম্পতির সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ঘরে বসে খাবার অর্ডার দেওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অফিসগুলো থেকেও প্রতিদিন বিশাল সংখ্যক অর্ডার যাচ্ছে ফুড ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে। এই ধরণের ব্যবসা ২ ভাবে করা যায় ,

১. নিজে রান্না করে খাবার সরবরাহ করা,

২. গ্রাহকদের অর্ডার নিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে খাবার সংগ্রহ করে সরবরাহ করা,

আপনি যদি নিজে রান্না করা খাবার বিক্রি করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি একটি রান্নাঘরের ব্যবসা করতে হবে যেখানে শুধু গ্রাহকদের জন্যই খাবার রান্না করা হবে।

খাবার রান্না করা এবং ডেলিভারি দেয়ার জন্য বেশ কয়েকজন লোক নিয়োগ দিতে হবে।

প্রথমদিকে আপনি ছোট পরিসরে নির্দিষ্ট এলাকা টার্গেট করে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তবে এই ব্যবসায় সফল হতে হলে খাবারের টেস্ট এবং মান বজায় রাখা পূর্ব শর্ত।

আপনার রান্না যদি মজা হয় এবং খাবারের মান যদি সবসময় বজায় রাখতে পারেন তাহলে আপনার গ্রাহক দিন দিন বাড়বেই। আপনার খুব বেশি প্রচার করতে হবে না গ্রাহকেই গ্রাহক নিয়ে আসবে।

দুই নাম্বারে যে ব্যবসার মডেলের কথা বললাম এই ধরণের ব্যবসার মডেল অনুসরণ করে থাকে ফুড পান্ডা, পাঠাও এসব কোম্পানি।

ফুড ডেলিভারি ব্যবসা করার জন্য আপনাকে একটি ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ তৈরি করতে হবে। খাবার সাপ্লাই দেওয়ার জন্য এলাকাভিত্তিক লোক নিয়োগ করতে হবে এবং বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের সাথে চুক্তি করতে হবে।

৯. ই-কমার্স ব্যবসা 

শহরে ব্যবসার আইডিয়া এর মধ্যে ই-কমার্স অন্যতম। যদিও ই-কমার্স ব্যবসা এখন শহরে সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন শহর থেকে গ্রামে পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

ই-কমার্স ব্যবসা হচ্ছে ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে ব্যবসা করা। এই ধরণের ব্যবসা করার জন্য আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। সেখানে আপনাকে আপনার পণ্যগুলো ক্যাটাগরি অনুযায়ী গ্রাহকদের সামনে প্রদর্শন করতে হবে।

গ্রাহকদের আকর্ষণ করার জন্য বিভিন্ন পণ্যে কিছু ডিসকাউন্টের ব্যবসা রাখতে পারেন এর ফলে গ্রাহকরা অর্ডার করতে উৎসাহিত হবে।

তবে আপনার যদি ওয়েবসাইট বানানোর সামর্থ্য না থাকে তাহলে ফেসবুকে নিজের একাউন্ট বা পেজ খুলে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ধীরে ধীরে ব্যবসা যখন বড় হবে তখন অবশ্যই একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে নিবেন।

ই-কমার্স ব্যবসায় সফল হতে হলে মার্কেটিং এর পাশাপাশি আপনাকে অবশ্যই সততা রক্ষা করতে হবে। আমাদের দেশে অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আছে যারা প্রায়ই প্রতারণা করে তাই অনলাইনে কেনাকাটা করার আগে মানুষ এখন অনেক যাচাই করে ক্রয় করে থাকে।

তাই আপনি যদি গ্রাহকদের মানসম্মত পণ্য সরবরাহ করতে পারেন এবং তাদেরকে ভাল কাস্টমার সার্ভিস দিতে পারেন তাহলে আপনি দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসা করতে পারবেন। বিশ্বস্ত গ্রাহকরাই আপনার ই-কমার্স ব্যবসায় সাফল্য এনে দিবে।

পরিশেষে

শহরে ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে যেসব ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করলাম আশা করি আপনাদের খুব কাজে লাগবে।

আপনাকে মনে রাখতে হবে শহরে ব্যবসা খুব চ্যালেঞ্জিং কারণ শহরে পয়সাওয়ালা মানুষের অভাব নেই। আপনার সাফল্য দেখে আপনার আশেপাশে খুব দ্রুতই অনেক ব্যবসা গজিয়ে উঠতে দেখবেন।

বিদ্যমান এবং নতুন দুই ধরণের ব্যবসায়ীদের সাথেই আপনাকে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে হবে। ভাল সার্ভিস, মান বজায় রাখা, গ্রাহকের আস্থা ধরে রাখা এবং নতুন নতুন ব্যবসায়ীক কৌশল ব্যবহার করাই হবে আপনার টিকে থাকার হাতিয়ার।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Exit mobile version